সুনামগঞ্জে জামানত হারালেন যে ১২ প্রার্থী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ জেলা-এর পাঁচটি সংসদীয় আসনে মোট ১২ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের এক-অষ্টমাংশের (১২.৫ শতাংশ) কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এবারের নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত জমা দিতে হয়েছে।
সুনামগঞ্জ-৩ আসনে সর্বোচ্চ পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৯২টি। সাত প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত কয়ছর আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে ৯৭ হাজার ৩১৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ২২৬ ভোট। তবে মোট ভোটের এক-অষ্টমাংশ অর্থাৎ ২০ হাজার ৫৪৯ ভোটের কম পাওয়ায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের অ্যাডভোকেট শাহীনূর পাশা চৌধুরী, স্বতন্ত্র মাহফুজুর রহমান খালেদ তুষার, শেখ মুশতাক আহমদ, এবি পার্টির সৈয়দ তালহা আলম ও স্বতন্ত্র হুসাইন আহমেদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
সুনামগঞ্জ-১ আসনে নেজামে ইসলাম বাংলাদেশের মাওলানা মুজাম্মিল হক তালুকদার মাত্র ১ হাজার ১৮৪ ভোট পেয়ে জামানত হারান। এ আসনে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৯২৪ ভোটের মধ্যে কামরুজ্জামান কামরুল ১ লাখ ৬১ হাজার ৭৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। সুনামগঞ্জ-২ আসনে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নিরঞ্জন দাস ১ হাজার ২৩২ ভোট পেয়ে জামানত হারান; এখানে বিএনপির নাছির উদ্দিন চৌধুরী ৯৯ হাজার ৫২২ ভোটে বিজয়ী হন।
সুনামগঞ্জ-৪ আসনে জাতীয় পার্টির মো. নাজমুল হুদা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শহীদুল ইসলাম প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন; এ আসনে বিএনপির নূরুল ইসলাম নূরুল জয়ী হন। সুনামগঞ্জ-৫ আসনে এনসিপির মো. আজিজুল হক, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ আব্দুল কাদির জামানত রক্ষা করতে পারেননি। সেখানে বিএনপির কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন ১ লাখ ৫১ হাজার ৯১৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
