অদ্ভুত সব অপরাধের গল্পে আসছে নতুন সিরিজ ‘ক্রাইম ১০১’

 


ভালোবাসা দিবসের ঠিক একদিন আগে, আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মুক্তির দিনেই বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে হলিউডের বহুল প্রতীক্ষিত ক্রাইম থ্রিলার ‘ক্রাইম ১০১’। স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পেতে যাওয়া সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে খ্যাতিমান লেখক ডন উইন্সলোর একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে। বার্ট লেটন পরিচালিত এ ছবিতে অভিনয় করেছেন ক্রিস হেমসওয়ার্থ, মার্ক রাফালো, ব্যারি কেওগান, মনিকা বারবারো, কোরি হকিন্স, জেনিফার জেসন লেই, নিক নল্টে ও হ্যালি বেরির মতো তারকারা। গত ২৮ জানুয়ারি লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়েছে সিনেমাটির প্রিমিয়ার। ২০২৩ সালে উপন্যাসটির স্বত্ব নিয়ে দরপত্রে নেটফ্লিক্সকে হারিয়ে অ্যামাজন প্রজেক্টটি অর্জন করে। শুরুতে পেড্রো পাস্কালের অভিনয়ের কথা থাকলেও সময়সূচির জটিলতায় তিনি সরে দাঁড়ান। পরে ধাপে ধাপে যুক্ত হন রাফালো, হ্যালি বেরি, কোরি হকিন্সসহ আরও অনেকে। লস অ্যাঞ্জেলেসে ২০২৪ সালের অক্টোবরে শুরু হয় ছবির শুটিং।

সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূলীয় এলাকায় সংঘটিত একাধিক নিখুঁত জুয়েলারি ডাকাতিকে কেন্দ্র করে। ডাকাতিগুলো এতটাই পরিকল্পিত ও নির্ভুল যে সেখানে অপ্রয়োজনীয় সহিংসতা নেই, নেই দৃশ্যমান ভুল। এক অভিজ্ঞ পুলিশ ডিটেকটিভ বিশ্বাস করেন, বড় অপরাধগুলো কিছু অলিখিত নিয়ম মেনে সংঘটিত হয়—যাকে তিনি বলেন ‘ক্রাইম ১০১’। তার ধারণা, সব ডাকাতির পেছনে একজনই মাস্টারমাইন্ড, যে এই নিয়মগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করছে। তবে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে যখন একটি ডাকাতিতে অস্বাভাবিকতার ইঙ্গিত পাওয়া যায় এবং নিয়ম ভাঙার ছাপ স্পষ্ট হয়। ডিটেকটিভ বুঝতে পারেন, এটি কেবল সাধারণ চুরি নয়; এর পেছনে আরও বড় কোনো ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে।

এদিকে গল্পে উঠে আসে এক তরুণ ও বুদ্ধিমান অপরাধীর চরিত্র, যে ধীরে ধীরে এই অপরাধজগতের গভীরে প্রবেশ করে। সে কি ‘ক্রাইম ১০১’-এর নিয়ম মেনে চলবে, নাকি একটিমাত্র ভুল সব পরিকল্পনা ভেস্তে দেবে—এই প্রশ্নই সিনেমার মূল টানটান উত্তেজনা তৈরি করে। ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। দর্শকরা কাস্টিং, থ্রিলারধর্মী আবহ এবং জটিল গল্পের সম্ভাবনা নিয়ে বেশ আগ্রহ দেখাচ্ছেন। সব মিলিয়ে ভালোবাসা দিবসের সপ্তাহে রহস্য-রোমাঞ্চে ভরপুর এক ভিন্ন স্বাদের সিনেম

Next Post Previous Post

মন্তব্য করুন