ভোটযুদ্ধে ইসলামী আন্দোলনের আলোচিত প্রার্থীরা—কার অবস্থান কোথায়?
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৫৯টি আসনে প্রার্থী দিলেও জয় পেয়েছে মাত্র একটিতে—বরগুনা-১। দলটির একমাত্র বিজয়ী প্রার্থী মো. অলিউল্লাহ সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করেছেন, তবে বাকি আসনগুলোতে হাতপাখার প্রার্থীরা জয় থেকে বেশ দূরেই ছিলেন। কোথাও জামানত হারানোর ঘটনা ঘটেছে, আবার কিছু আসনে দেখা গেছে তুলনামূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতা। হেভিওয়েটদের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, আলোচিত অনেক নেতাই প্রত্যাশিত সাড়া পাননি।
নোয়াখালী-১ আসনে জহিরুল ইসলাম (সিআইপি) পান ১৯ হাজার ২৮৯ ভোট। সেখানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ১ লাখ ২৬ হাজার ৮৩৩ ভোট পেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী হন। খুলনা-৪ আসনে দলের মহাসচিব ইউনুস আহম্মেদ শেখ পান ১৩ হাজার ৩৪৫ ভোট, বিপরীতে বিএনপির আজিজুল বারী হেলাল পান ১ লাখ ২৩ হাজার ১৬২ ভোট। কুমিল্লা-১১ আসনে মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী পান ৭ হাজার ভোট; সেখানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ১ লাখ ২৩ হাজার ভোট নিয়ে বিজয়ী হন।
রাজধানীর ঢাকা-৪ আসনে মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী পান ৬ হাজার ৫১৮ ভোট, আর জামায়াতের সৈয়দ জয়নুল আবেদীন পান ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট। ঢাকা-৫ আসনে মো. ইবরাহিমের প্রাপ্তি ১৪ হাজার ২০৬ ভোট; সেখানে জামায়াত মনোনীত মোহাম্মদ কামাল হোসেন পান ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট। বরিশালে তুলনামূলক লড়াই করেন দলের সিনিয়র নায়েবে আমির সৈয়দ ফয়জুল করীম। বরিশাল-৫ আসনে তিনি পান ৯৫ হাজার ৪৪ ভোট, যদিও বিএনপির মজিবর রহমান ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩১ ভোট পেয়ে এগিয়ে থাকেন। বরিশাল-৬ আসনেও ফয়জুল করীম ৫৫ হাজার ৯৮৮ ভোট পেলেও বিএনপির আবুল হোসেন খান ৮১ হাজার ৮৭ ভোট নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন। সার্বিক চিত্রে স্পষ্ট, একক সাফল্য ছাড়া হেভিওয়েটদের বেশিরভাগই বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছেন।
.jpg)